মুহাম্মদ জামাল উদ্দীন রব্বানী
‘মিডিয়া’ একটি ইংরেজি শব্দ। যার অর্থ মাধ্যম। তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম। যেটাকে গণমাধ্যম বলা হয়। পৃথিবীর কোন প্রান্তে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনা-দূর্ঘটনা, খবরা-খবর, ঘোষণা যে মাধ্যমে দেয়া হয় তাকে আমরা গণমাধ্যম বা মিডিয়া বলি। গণমাধ্যম সমাজ তথা রাষ্ট্রের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটাকে সমাজের চোখ হিসেবে দেখা হয়। সমাজ বা রাষ্ট্রের যেকোন অসামাজিক, অনৈতিক বা অসমাঞ্জস্য বিষয়াদি মিডিয়া আমাদের চোখের সামনে তুলে ধরে। তা থেকে আমরা শুধরানোর সুযোগ পায়। আবার যেকোন নতুন ফর্মূলা বা তথ্য, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণময় যেকোন গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক প্রস্তাব, পরামর্শ এ মিডিয়ার কল্যাণে আমরা সহজে জানতে পারি এবং জানাতে পারি। তাই সমাজ পরিবর্তনে মিডিয়ার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। মিডিয়াতে শুধু খবর সরবরাহ করেনা, মিডিয়াতে সাহিত্য সাধনা থেকে শুরু করে অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি, বিনোদন, তাহজিব- তমদ্দুন-সংস্কৃতিসহ নানা গবেষণালব্ধ বিষয় ওঠে আসে।
এককালে মিডিয়া বলতে শুধু পত্রিকা বুঝাত। কিন্তু এখন মিডিয়ার পরিধি বেড়েছে। এর অনেক শাখা-প্রশাখা গজিয়েছে। অনেক আধুনিকত্ব ও প্রযুক্তি সংযুক্ত হয়েছে এর সাথে। এক সময় কোথাও ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা পত্রিকার মাধ্যমে মানুষ জানতে দিন কয়েক সময় লাগতো। এখন তা দু’সেকেন্ড আমাদের হাতের মুঠোয় চলে আসে। এক সময় শুধু আমরা খবরটা পেতাম, কিন্তু এখন আমরা ঐ খবরের এক্সক্লোসিভ ছবি বা ভিডিওও অনায়সে পেয়ে যাচ্ছি।
মিডিয়াকে প্রথমে আমরা দু’ভাগে ভাগ করেছি। যথা-
ক) প্রিন্ট মিডিয়া এবং খ) ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া।
ক) প্রিন্ট মিডিয়া ঃ ছাপানো দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক বা অন্যান্য পত্রিকা-প্রকাশনার মাধ্যম।
খ) ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ঃ টেলিভিশন, রেডিও, মোবাইল, ইন্টারনেট।
প্রিন্ট মিডিয়ার তুলনায় ইলেকট্রনিক মিডিয়া সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। এখন যেকোন খবরের চুলছেড়া বিশ্লেষণ, খবরের সরাসরি সম্প্রচার, বিভিন্ন বিষয়ে নাগরিকের ভাবনা, রাজনীতিবীদ, শিক্ষাবীদ-বুদ্ধিজীবি- গবেষকদের টকশো’র মধ্যে ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিষেশ করে ইন্টারনেট মিডিয়া এখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে।
ইন্টারনেট মিডিয়া বলতে বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা বা সামাজিক সাইট যেমন ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবকে বুঝায়। এগুলো ব্যবহার করে লেখালেখিকে অনলাইন ও অফলাইনে লেখালেখি বুঝায়।
অনলাইন ও অফলাইনে যে ধরনের লেখালেখি করা যায় তা হলো-
যেমন :
১) প্রবন্ধ
২) গল্প/ উপন্যাস
৩) ছড়া-কবিতা
৪) নিজউ/সংবাদ
৫) প্রতিবেদন
৬) ফিচার
৭) জনমত জরিপ ইত্যাদি।
সংগঠনের প্রচারে মিডিয়ার ভূমিকা ঃ আমরা জানি দেশ পরিচালনায় রাজনৈতিক সংগঠনের বিকল্প নাই। একটি রাজনৈতিক সংগঠন তার আদর্শ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য জনগণের কাছে পৌঁছানোর বড় একটি মাধ্যম মিডিয়া। সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্ত বা ইচ্ছাপূর্বক যেকোন অন্যায় কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে দলীয় মতামত বা সোচ্চার প্রতিবাদ মিডিয়ার কল্যাণে সরকারসহ আপামর জনগণের কর্ণগোছর হয়। সংগঠনের যেকোন কর্মসূচি বাস্তবায়নে মিডিয়া রাখে গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
যেমন ধরুন, গত ২০ এপ্রিল ২০১৩ ইং সালে ঢাকার শাহবাগের গণ জাগরণ মঞ্চের কতিপয় নাস্তিকদের আল্লাহ - রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ইসলাম বিরোধী লেখালেখি এবং ঢাকা বাইতুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ও মসজিদের বাইরে কোরআন-হাদিস পোড়ানো হেফাজতিদের বিরুদ্ধে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ঐতিহাসিক গণজমায়েত ও সম্মেলন দেশ বিদেশে আলোড়ন তুলেছিল। সে সম্মেলনকে প্রিন্ট মিডিয়া যেমন গুরুত্ব দিয়ে ছাপিয়ে ছিল তেমনি ইলেকট্রনিক মিডিয়া সরাসরি অনুষ্টান সম্প্রচার, সাক্ষাত প্রচার, টক শো আর ইন্টারনেটের বিভিন্ন সামাজিক সাইটে অগণিত প্রচরণা সারা বিশ্ববাসীর চোখে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মকান্ড বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেছে। অথচ সে বিশাল সমাবেশ যদি মিডিয়া প্রচার না করত তাহলে বিশ্ববাসী তো দূরে থাক, দেশের মানুষও দেখতো না এবং তাদের ভুলও ভাঙ্গতো না।
আজকে একটি কথা স্বীকার করতে হয়, আমাদের নিজস্ব কোন মিডিয়া না থাকাতে দেশে ছাত্রসেনা বা ইসলামী ফ্রন্ট যে সকল কর্মসূচি পালন করছে তা নাস্তিকপন্থী মিডিয়াগুলো গুরুত্ব দিচ্ছেনা। ফলে আমরা যা কাজ করি বা দেশের জন্য বলি তা দেশের মানুষ জানতে পারছে না।
তাই এখন মিডিয়ায় আমাদের সংবাদ বা প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হলে আমি মনে করি হয়তো আমাদের মিডিয়া সৃষ্টি করতে হবে নয়তো মিডিয়ায় আমাদের কর্মী তৈরী করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রথমটির চেয়ে দ্বিতীয়টি সহজ এবং সেটি মিডিয়া সৃষ্টির জন্যও অপরিহার্য্য। কেননা, একটি মিডিয়া চালাতে হলে সারা দেশ জুড়ে মিডিয়া কর্মী এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব দরকার। মিডিয়া কর্মী না থাকলে মিডিয়া সৃষ্টি করেও তা বাতিল বা নাস্তিকদের হাতে পরিচালিত হবে। তাই প্রথমত সারা দেশ জুড়ে আমাদের সাংবাদিক বা সংবাদকর্মী সৃষ্টি করা দরকার।
সংগঠনের স্বার্থে সাংবাদিকতা চর্চা ঃ আমরা জানি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাংবাদিকতার উপর ডিপার্টমেন্ট আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার উপর অনার্স মাস্টার্স করা যায়। সাংবাদিকতার উপর লেখাপড়া করে ভালো ক্যারিয়ার গড়া যায়। তাই আমাদের কর্মীদের কারো কারো এ বিষয়ে মনোযোগি হতে হবে দলীয় স্বার্থে। এতে তার দুদিকেই লাভ। ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারও বিল্ডআপ করা যাবে, সংগঠনের স্বার্থও হাছিল হবে। এটা হচ্ছে প্রথম ধাপ। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগে লেখাপড়া না করেও সাংবাদিক হওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে আমাদের মাধ্যমিক লেভেল থেকে পড়ালেখার পাশাপাশি লেখালেখি চর্চা করতে হবে। যেমন- ছড়া-কবিতা, ছোট গল্প, বিভিন্ন বিষয়ে ফিচার তৈরী, প্রতিবেদন তৈরী, বিশেষ করে আমাদের সংগঠনের বিভিন্ন প্রোগ্রামের নিউজ তৈরীর অভ্যাস আপনাকে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ্য করে তুলবে। কলেজে পড়–য়া কর্মীদের যারা সদর কেন্দ্রীক বসবাস করে তাদেরকে অনুরোধ করবো স্থানীয় বা জাতীয় যেকোন দৈনিক বা সাপ্তাহিক পত্রিকা বা ম্যাগাজিনে আপনারা চাইলে পড়াশুনার পাশাপাশি শিক্ষানবীস সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করতে পারেন। আমাদের স্থানীয় পর্যায়ে যে সকল সংবাদকর্মী সাংবাদিক তকমা লাগিয়ে প্রভাব প্রতিপত্তি অর্জন করেছে তারা খুব বেশী লেখাপড়া করেছেন তা নয়। আমরা কেউ এ পেশা বেছে নিলে আমি মনে করি খুব অল্প সময়ে স্যাটেল হওয়া সম্ভব। এটা আপনার ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি সংগঠনের জন্যও বড় পাওনা হবে।
সাংগঠনিক নিউজ লেখার কৌশল ঃ সংগঠনের কোন একটি কর্মসূচি যখন ঘোষিত হয় তখন সে কর্মসূচিটি মিডিয়া কভারেজ করাটা খুবই জরুরী। তাই এক্ষেত্রে কর্মীসূচির পূর্ব-পর নিউজ তৈরী করে তা সংবাদ মাধ্যমে পৌঁছাতে হবে। যেমন আগামী ১২ জুলাই’১৪ ইং একটি ছাত্রসমাবেশ আছে। সে কর্মসূচির বাস্তবায়নের যেকোন প্রস্তুতি সভার নিউজ করে পত্রিকায় পাঠাতে হবে। ১২ জুলাইয়ের আগের দিন অর্থ্যাৎ ১১ জুলাই পত্রিকায় নিউজ পাঠাতে হবে এই শিরোনামে ‘আগামীকাল পটিয়ায় ছাত্রসেনার ছাত্রসমাবেশ’। ১১ জুলাইয়ের জন্য ১০ জুলাই পত্রিকায় নিউজ পাঠাতে হবে। যেদিন সমাবেশ সেদিন অর্থ্যাৎ ১২ জুলাইয়ের জন্য ১১ জুলাই পাঠাতে ‘ আজকের অনুষ্টান’ বিভাগে।
আজকের অনুষ্টানের জন্য পাঠানো একটি নিউজের নমুনা কপি-
‘আজকের অনুষ্টান’
আজ ১২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় পটিয়া এ এস রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা পটিয়া পৌরসভা শাখার উদ্যেগে এক ছাত্রসমাবেশ অনুষ্টিত হবে।
এতে সচেতন ছাত্রসমাজকে উপস্থিত থাকার জন্য ছাত্রসমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ‘ অমুক ’ অনুরোধ জানিয়েছেন।
বার্তা প্রেরক
স্বাক্ষর
( অমুক )
দপ্তর সম্পাদক
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা
পটিয়া পৌরসভা শাখা।
যেদিন প্রোগ্রাম অনুষ্টিত হবে সেদিন অনুষ্টানে আগত বক্তাদের বক্তব্য নোট করে অথবা যে লক্ষ্যে সমাবেশ তার বিষয়কে কেন্দ্র করে নিউজ তৈরী করতে হবে। এ কাজটি অনুষ্টানের পূর্বে তৈরী করে রাখতে পারলে ভালো । কেননা কোন সংবাদকর্মী প্রোগ্রামস্থলে গেলে যেন তাকে সংবাদবিজ্ঞপ্তিটি দিয়ে দেয়া যায়।
একটি নিউজ বা প্রেস রিলিজ তৈরী করতে কিছু বিষয়ের প্রতি খুবই লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমন- নিউজটি সংগঠনের নিজস্ব প্যাডে লিখতে হবে, শীল, নমুনা স্বাক্ষর, নির্ভুল বানান, সুন্দর ও স্পষ্ট হস্তাক্ষর ( কম্পিউটার কম্পোজ সবচেয়ে ভালো) বক্তব্যে ভাষা সহজ ও প্রাঞ্জল, বক্তব্য অযাচিত দীর্ঘ না করা, মূল দাবী যুক্তিযুক্ত হওয়া ইত্যাদি। একটি আদর্শ ও পরিপূর্ণ সংবাদ তৈরীতে ৪টি W এর ব্যবহার অপরিহার্য্য।
W = When [ কখন]
W = Where [কোথায়]
W = What [কি]
W = Who [কে]
অর্থ্যাৎ একটি অনুষ্টান কখন, কোথায়, কি বা কি উপলক্ষ্যে অনুষ্টিত হয়েছে এবং তাতে কে কে উপস্থিত ছিলেন ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ থাকা আবশ্যক। নচেৎ সংবাদের সার্থকতা ফুটে ওঠবে না বা একটি স্বয়ংসম্পুর্ণ সংবাদ হবেনা। এছাড়া নিউজের একটি আকর্ষনীয় শিরোনাম দিতে হবে। শিরোনামটি হবে নিউজের মূল বক্তব্যের সার সংক্ষেপ। যেমন নিচে একটি ছাত্রসমাবেশের নিউজের নমুনা কপি দেখানো হলো।
পটিয়ায় ছাত্রসেনার সমাবেশে বক্তরা
শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের কমপক্ষে ৩০ ভাগ বরাদ্দ দিতে হবে
আজ ১০ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় পটিয়া এ এস রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ ইসলমাী ছাত্রসেনা পটিয়া পৌরসভা শাখার উদ্যোগে আগামী বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবীতে এক ছাত্রসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল সংগঠনের পৌরসভাপতি মুহাম্মদ বেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ০০০০০০০০ [ পদবীসহ নাম]। প্রধান বক্তা ছিলেন ০০০০০০০০ [পদবীসহ নাম]। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ০০০০০০০০০০০০০০০ [নাম ]
প্রধান অতিথি বলেন, ০০০০০০০০০ [শিরোনামের সাথে মিল রেখে সংক্ষেপে সমাবেশে মূল বক্তব্য তুলে ধরতে হবে ]
( সম্ভব হলে প্রধান বক্তার বক্তব্যও তুলে ধরা যায়।)
সমাবেশ শেষে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল পটিয়া সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
বার্তা প্রেরক
স্বাক্ষর
( অমুক )
দপ্তর সম্পাদক
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা
পটিয়া পৌরসভা শাখা।
বি.দ্র. নিউজের সাথে ক্যাপসনসহ সংশ্লিষ্ট ছবিও দেয়া আছে।
( সমাবেশ শেষে পটিয়া সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিক্ষোভ মিছিলের একাংশ)
অনলাইনে লেখালেখি ঃ বর্তমান যুগ ইন্টারনেটের। আজকাল প্রাইমারি স্কুল পড়–য়া একজন ছেলেও ফেসবুক ব্যাবহার করে। ইন্টারনেটে বিভিন্ন বøগ তৈরী করে সেখানে বøগাররা তাদের মত প্রকাশ করছে। এখন তো কয়েক জনে মিলে অনলাইন পত্রিকাও পরিচালনা করেছ। এ রকম আমাদের কর্মীদের তৈরী একটি অনলাইন পত্রিকার নাম ি www.karnafulinews24.com
এভাবে আরো অনলাইন পত্রিকা তৈরী করা দরকার। আর তা করতে হবে আমাদের। বিশেষ করে ফেসবুকে সাংগঠনিক প্রচার চালানোটা খুবই সহজ্ এং তা আমাদের ছেলেরা করছেও। তবে এ ক্ষেত্রে তথ্য নির্ভর , গ্রহণযোগ্য স্টাটাস বা মানসম্মত ছবি/ভিডিও আপলোট করতে হবে। প্রোগ্রাম চলাকালে যতদ্রæত অনুষ্টানের ছবি ক্যাপসন সহ দেয়া যায় সেদিকে নজর রাখতে হবে। যেকোন বিষয়ে মতামত বা প্রতিবাদ দৈনন্দিন দিতে হবে। মূল কথা হলো প্রযুক্তির এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে আমাদেরকে সংগঠনের প্রচার প্রসারে ভূমিকা রাখতে হবে।
ও হ্যাঁ, আরেকটি কথা, ইন্টারনেটের আরেকটি সামাজিক সাইট ইউটিউব। এ সাইটটিতে একাউন্ট খুলে যেকোন অনুষ্টানের ভিডিও আপলোট ডাউনলোট করা যায়। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দের বক্তব্য বা বক্তব্যের অংশ বিশেষ মোবাইল বা ভিডিও ক্যামরার মাধ্যমে ভিডিও করে ইউটিউবে দেওয়াটা খুবই জরুরী। তাতে দেশ বিদেশেও আমাদের বক্তব্য পৌঁছে যাবে।
পরিশেষে সংগঠনের প্রচার প্রসারে মিডিয়ার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধী করত: কর্মী ভাইয়েরা এদিকে এগিয়ে আসবেন সে প্রত্যাশা করে আজকের মতো শেষ করছি।

লেখককে কমেন্টস করে সাহায্য করুন।
ReplyDelete