বিরক্তিকর
পায়ু পথে বায়ু নির্গমন। আঞ্চলিক ভাষায় কি বলে আমরা সবাই জানি। এখানে আমি 'হাওয়া' বলে মিন করি।
কোন মজলিশে কেউ একজন ক্ষীণ বা উচ্চ স্বরে হাওয়া ছাড়লে তা নিয়ে স্তরভেদে এক একেক রকম প্রতিক্রয়া লক্ষ্য করা যায়।
পেঠের অতিরিক্ত এই হাওয়া মানুষকে ছেড়ে দিতেই হয়। সবারই এই হাওয়া ছাড়ার অভ্যাসটি আছে। তবে সেটা যদি ছোট বাচ্চাদের মাঝে হয়, তাহলে সেটা নিয়ে হইচই তো হবেই। কে ছাড়ল, কে ছাড়ল বলে হণ্যে হয়ে খুঁজতে থাকে হাওয়া ত্যাগকারীকে। তারপর তারপ্রতি তির্যক মন্তব্য ছুড়তে থাকে অন্যরা।
অথবা সেটা যদি গণ্যমান্য মহলে হয়, তাহলে ভদ্রতার খাতিরে সবাই বিষয়টি এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করে।
বন্ধুমহলে কিছুটা রসিকতা হয় বটে, তবে তা কোনবস্থাতেই মানসম্মান হেরেজ করে নয়।
এই হাওয়ার বিষয়টি উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সীমাবদ্ধ হলেও ইদানিং ফেসবুকের কল্যাণে তা নিয়ে রীতিমত ট্রল চলছে। সামান্য ফুটুস করে ছাড়া হাওয়াটি ফেসবুকে আসতে আসতেই যেন এটম বোমায় রূপ নে। যার যে রকম ইচ্ছা সেরকম করে বোমা ফাটায় আর সারা বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলে বেচারা হাওয়া ত্যাগকারীকে নিয়ে। যেন হাওয়া ত্যাগ করাটা কোন এক মহাপাপ বা নিষিদ্ধ কাজ।
## মার্ক জুকারবার্গ কি যে বানাই দিলেন আমাদেরকে। ভালই ব্যবহার চলছে।

No comments:
Post a Comment