
শুধু
বড় বড় নামি দামী পশুকে কোরবানি করলেই কোরবানি হবেনা মুলত আত্বার কু-বাসনা হিংসা
লোভ লালসাকে ও মানসিক পশুত্বকে পরিহার করার নামই হলো আসল কোরবানি।
কোরবানি
অর্থ কাছা কাছি, নৈকট্য, সান্নিধ্য লাভ, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের
আশায় জিল হজ মাসের ১০ তারিখের সুবে সাদিক হইতে ১২ তারিখ সুর্যাস্ত পর্যন্ত তারই
নামে গৃহ পালিত পশু/হালাল উপার্জিত টাকায় পশু ক্রয় করে জবেহ করার নাম কোরবানি।
পশু
কোরবানি দিয়ে নিজের আত্বার পশু সুলভ আচরনকে কোরবানি করার মাধ্যমে হযরত ইব্রাহীম
(আঃ) ও ইসমাইল (আঃ) এর চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আলোকিত মানুষ
হিসেবে সুন্দর সমাজ গড়ে তোলাই কোরবানির শিক্ষা।
তাইতো
কবি নজরুলের ভাষায় বলতে হয়,
“যত
দিন না কায়েম
হবে
খোদার
ধরায় তারই দ্বীন,
কিসের
আবার ঈদের খুশি,
এই
আনন্দ অর্থ হীন”।
তাই
আসুন ভোগে নয় ত্যাগের মাধ্যমে কোরআন হাদিসের আলোকে সমাজ,দেশ এবং জাতীকে সুন্দর
করে গড়ে তুলি।
আল্লাহ
আমাদের সকলের কোরবানিকে কবুল করে ঈমানদার ও সালেহিনদের সাথী করে নিন আমিন।
বাংলাদেশ
ইসলামী যুবসেনার পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।
😍
ReplyDelete